মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন

নবী মুহাম্মদের অধর্ম ও ইতিহাস (পর্ব ১)

প্রতীকী ছবি

ইসলাম সম্পর্কে সংশয় প্রকাশ করা, প্রশ্ন উত্থাপন করা, কোরআনের আইন, উক্তি নিয়ে যুক্তিতর্ক, জিজ্ঞাসা কোন কোন মুমিন মুসলমানের ঈমান আকিদাকে নিঃশেষ করে কাফের-মুশরিককে পরিণত করতে পারবে, এমন ভীতি থেকে দ্বীন ইসলামের মুসলমানেরা ধূর্ত নবী মুহাম্মদ, মানবরচিত যৌনতা অনুমোদনের অখণ্ড ও পরিবর্তনহীন ঐতিহাসিক কোরআনের আয়াত এবং ধর্মের আলখেল্লায় চলতে থাকা অপরাধের ধরন নিয়ে কেউ প্রশ্ন উত্থাপন করেন না।

নবী মুহাম্মদের জীবন ও কোরআন এক রহস্য। জন্ম পরিচয়ের সন্ধিক্ষণ এখানে স্পষ্ট, যাতে পিতা হিসেবে অভিহিত করা হয়, আবদুল্লাহ ইবনে আবদুল মুত্তালিবের মৃত্যুর দুই বছর পর আমিনা বিনতে ওহাবের গর্ভে শিশু মুহাম্মদের জন্মগ্রহণ পিতৃ পরিচয়ের সংশয়।

ইসলাম প্রচার, ধর্ম প্রতিষ্ঠা, নবী হিসেবে দাবি করা আরবের ভেড়ার রাখাল মুহাম্মদের দরিদ্র জীবনে ৪০ বছরের পৌঢ়া নারী খাদিজার আবির্ভাব এবং তার মৃত্যুর পর একে একে ১১ বিয়ে ২ যৌন দাসী। এবং ইসলাম প্রতিষ্ঠা ও যুদ্ধে জয়ের বিপরীতে বন্দিনী নারীদের প্রতি যে যৌন নিপীড়নের ইতিহাস তা কোরআনে স্রষ্টার নামে আয়াত নাজিল করে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। ধর্ষণকে দেওয়া হয়েছে অনুমোদন। অর্থাৎ কোরআনের আইন ও নবী মুহাম্মদের ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্য, প্রভাব, অর্থ ও নারী এরই স্পষ্ট প্রতিবিম্ব। কোরআন হচ্ছে নবী মুহাম্মদের দুশ্চারিতা, যৌনতা, অপরাধপ্রবণতা, মানবাধিকার লঙ্ঘনসহ নারীদের প্রতি নিজের প্রবৃত্তির অনুমোদনের চারিত্রিক দলিল। এবং স্বরচিত একটি অনুমোদন গ্রন্থ।

নবী মুহাম্মদ ধূর্ত। যিনি ইসলামের নামে যুদ্ধ, নারী ও শিশুদের বন্দী, যুদ্ধে বন্দিনী নারীদের গণিমতের মাল হিসেবে ভোগবিলাসের বস্তুতে পরিণত করা এবং একের পর এক বিয়ের নামে অসহায় নারীদের প্রতি নিজের ইচ্ছাকে চরিতার্থ করাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। এমনই ছিলো নবী মুহাম্মদের চরিত্র। এ নবীই মুমিন মুসলমানের পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ।

এমনকি নবী তার স্বীয় পুত্র জায়েদের সুন্দরী স্ত্রীর সাথে পরকীয়ায় লিপ্ত হন। যখন বিষয়টি জানাজানি হয়, তখন পুত্রকে বাধ্য করেন স্ত্রীকে তালাক দিতে। এরপর নবী মুহাম্মদ তার পুত্র জায়েদের সুন্দরী স্ত্রী জয়নাব বিনতে জাহশকে বিয়ে করেন। যা কোরআনের সূরা আল-আহযাব ৩৩:৩৭-এ জায়েদ ও জয়নাবের বিবাহবিচ্ছেদের পর নবীর সঙ্গে জয়নাবের বিবাহের ঘটনা উল্লেখ আছে। এবং সেখানে এর বৈধতা উৎপন্ন করা হয়েছে।

ইসলাম কখনো মানবাধিকার, মানুষের অধিকার, নারীর স্বাধীনতা এবং ভিন্ন মতাদর্শের জন্য আপসকামী নয়। এখানে ধর্মের বিপরীতে স্বেচ্ছাচারিতার নিদর্শনের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে।