মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন
কোরআন, নবী ও প্রশ্নের অধিকার
কোরআনের এমন অনেক আয়াত নবী মুহাম্মদ নাজিল করেছেন যেখানে ধূর্ত মুহাম্মদ স্বয়ং নিজেদের কথিত অশরীরী খোদার সমকক্ষ হিসেবে উপস্থাপনা করেছেন। যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের অবাধ্যতা করে। এবং তাঁর সীমা অতিক্রম করে, তিনি তাকে আগুনে প্রবেশ করাবেন যেখানে সে চিরকাল থাকবে। তার জন্য রয়েছে অপমানজনক শাস্তি। ০৪:১৪
উপরোক্ত আয়াত থেকে পরিষ্কারভাবে বোঝা যাচ্ছে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের আদেশ সমার্থক। তার অর্থ আল্লাহ ও তাঁর রাসুল একই ব্যক্তি। এবং এই কোরআন যে স্বয়ং নবী মুহাম্মদের নিজের রচনা তা নিচের আয়াতটি থেকে বুঝা যায়।
শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময় অতি দয়ালু। ০১:০১
কথাগুলো আল্লাহর হলে, আল্লাহ নিজেই নিজের নামে শুরু করতেন না।
আমরা একমাত্র তোমারই ইবাদত করি ও তোমার সাহায্য কামনা করি। ০১:০৫
কথাগুলো আল্লাহর হলে আল্লাহ নিজেই নিজের ইবাদত করবেন না।
নবী মুহাম্মদ নিজেকে ঐশী হিসেবে প্রমাণ করা এবং নিজেকে ইসলাম ধর্মের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করে নিজস্ব ব্যক্তিগত জীবনের সংজ্ঞা পরিবর্তনই মূল লক্ষ্যবস্তু ছিল।
ইসলাম, কোরআন ও নবী মুহাম্মদ প্রগতিশীল এ রাষ্ট্র ও সমাজ ব্যবস্থায় অপাংক্তেয়। বাংলাদেশেও এই অধর্মের ব্যাপ্তি ছড়িয়েছে রন্ধ্রে রন্ধ্রে। নবী মুহাম্মদ সম্পর্কে যে কোনো যুক্তিপূর্ণ সমালোচনা যদি কোনো অমুসলিম দ্বারা উপস্থাপিত হয়, সেটি কোনো মুসলিমই গ্রহণ করতে আগ্রহী না। লেখককে হতে হবে “মুহাম্মাদ ও তার বর্ণিত আল্লাহয় (কুরানের)” পূর্ণ বিশ্বাসী। এ এক অদ্ভুত বিশ্বাসের দাঁড়িপাল্লা।
বিশিষ্ট প্রাচীন মুসলিম ঐতিহাসিকদের বর্ণনা মতে মুহাম্মদ তার ১০ বছরের মদীনা জীবনে ৬৫-এর বেশি যুদ্ধে জড়িয়েছিলো। গড়ে প্রতি দুই মাসে একটা। তাদের বর্ণনা মতে এই বিশাল সংখ্যক যুদ্ধের মাত্র দুটি (ওহুদ ও খন্দক) ছাড়া আর সবগুলোই ছিলো অমুসলিম জনপদের উপর অতর্কিত হামলা (জিহাদ)। রাতের গভীর অন্ধকারে বাণিজ্য ফেরত নিরীহ কুরাইশ কাফেলার উপর অতর্কিত হামলা করে তাদের মালামাল লুণ্ঠন, তার আরোহীদের হত্যা, পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করা এবং পরিবারের কাছ থেকে সম্পদের বিনিময়ে তাদেরকে ছেড়ে দেওয়া।
পরবর্তীতে শক্তি বাড়ার সাথে সাথে এ হামলার পরিসর বৃদ্ধি করে। যেখানে হাজার হাজার অনুসারী এই ধর্ম ব্যবসায় নিজেদের সম্পৃক্ত করে।
আজকের বাংলাদেশের ইসলাম এবং ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক গোষ্ঠীর দিকে তাকালেও একই চরিত্র স্পষ্ট। যেখানে ধর্মের নামে, শরিয়াহ আইনের নামে, খেলাফত প্রতিষ্ঠার নামে হাজার হাজার ধর্মান্ধ গোষ্ঠী মৌলবাদ, উগ্রবাদ ও চরমপন্থার মধ্য দিয়ে পশ্চাদপদ করতে চায় এ দেশের সকল বিশ্বাসী ও অবিশ্বাসী মানুষদের।
নবী মুহাম্মদের ইসলাম আজকের বর্তমান সময়ে জঙ্গিবাদের বিস্তার ঘটিয়েছে। নবী মুহাম্মদের আদর্শ অনুসরণ করে পূর্বপুরুষদের দ্বীন পুনরুদ্ধারের ব্রতে জান-মাল দুটোই বিসর্জন দিচ্ছে।
নবী মুহাম্মদ সেই প্রাগৈতিহাসিক মৌলবাদী ও জঙ্গি যার ভাবধারা আজকের বিশ্বের শান্তিকে ভূলুণ্ঠিত করছে, নারী ও মানবিক মর্যাদার সকল স্তরকে ইসলামী জাহেলিয়াতের দিকে ধাবিত করার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে।