মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন
আপনি কি এটি জানেন, নবী মুহাম্মদ ছিলেন একজন যৌন পীড়ক। নারীদের প্রতি লালায়িত, যা নিয়ে তাঁর সাহাবীদের সাথেও ছিল অন্তঃকোন্দল।
নবী মুহাম্মদের এগারোরও বেশি স্ত্রী এবং একাধিক যৌনদাসী ছিল। অথচ তিনি তাঁর স্ত্রীদের যথাযথভাবে ভরণপোষণ করতে বা তাঁদের বস্তুগত চাহিদা পূরণ করার সামর্থ্য তাঁর ছিল না কখনই।
একবার তাঁর স্ত্রী আয়েশা ও হাফসা নবী মুহাম্মদের কাছে কিছু অর্থ চেয়েছিলেন। এতে তিনি অত্যন্ত অসন্তুষ্ট হন। পরিণতিতে আয়েশা ও হাফসাকে বেধড়ক প্রহার করা হয়। তাঁদের মারধর করার পর মুহাম্মদ সন্তুষ্ট হয়েছিলেন; সে সময় তিনি হাসছিলেন। সহিহ মুসলিম ১৪৭৮
“মুহাম্মদ অত্যন্ত দুশ্চিন্তাগ্রস্ত/বিচলিত ছিলেন। তাঁর স্ত্রীরা তাঁর কাছে বারবার অর্থ চাইছিলেন। তখন আবু বকর আয়েশার কাছে গিয়ে তাঁর ঘাড়ে চড় মেরে দেন এবং উমর হাফসার সামনে দাঁড়িয়ে তাঁর ঘাড়ে চড় মেরে দেন। তাঁরা বললেন: ‘তোমরা আল্লাহর রাসুলের কাছে এমন কিছু চাইছ, যা তাঁর কাছে নেই।’ এ পরিস্থিতি দেখে মুহাম্মদ হেসে উঠলেন।”
কুরআন নামের গ্রন্থটি, যা মুহাম্মদ নিজে রচনা করেছিলেন, সেখানে বলা হয়েছে যে একাধিক স্ত্রী রাখার সামর্থ্য না থাকলে একজন স্ত্রীই রাখা উচিত। অথচ এই যৌন-আসক্ত, লালসাপূর্ণ কথিত নবী মুহাম্মদ এগারো জন নারীকে বিয়ে করেছিলেন, যদিও তাঁদের সুখী জীবন নিশ্চিত করার মতো তাঁর কাছে এক পয়সাও ছিল না। তাঁর স্ত্রীদের দাবি ও অনুরোধ দমন করার জন্য মুহাম্মদ এমনকি একটি আয়াতও “আল্লাহর কাছ থেকে অবতীর্ণ” করিয়েছিলেন—যেখানে ৩৩:২৮ ও ৩৩:২৯-এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে স্ত্রীদের কর্তব্য ছিল মুহাম্মদ যখন চাইবেন তখন তাঁর সঙ্গে শয্যায় যাওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকা—তাঁদের পেটে খাবার থাকুক বা না থাকুক!
তাঁর কোনো নির্দিষ্ট পেশা ছিল না। আজকে বাংলাদেশে যেমন চিত্র দেখা যায় বিভিন্ন ওয়াজিন, ধর্মীয় ইমাম, মুয়াজ্জিনরা ধর্মের নামে জীবন ধারণ করে, কোরানের আয়াত, বয়ান বেঁচে ভিক্ষানির্ভরতা নিয়ে, ধর্মান্ধ মুসলমানের আবেগকে পুঁজি করে চলে, ঠিক মুহাম্মদ ও তাঁর সাহাবিরাও তেমনভাবে জীবন ধারণ করেছেন।
তাঁদের প্রধান আয়ের উৎস ছিল বাণিজ্য কাফেলা লুট করা, যুদ্ধলব্ধ সম্পদ দখল করা এবং নারী ও শিশুদের বন্দি করে দাস ও যৌনদাসী হিসেবে ব্যবহার করা বা বাজারে বিক্রি করা।
ইসলাম বিভিন্ন কারণে স্বামীকে তার স্ত্রীকে মারধর করার অনুমোদন দেয়। যেখানে নারীদের মর্যাদার প্রশ্ন বেশ সংকীর্ণ।